সংবাদ শিরোনামঃ
উপকূলীয় অঞ্চলের গাবুরায় লবণাক্ত মাটির প্রভাব: শুকনো মৌসুমে বাড়ছে ফাটল  শ্যামনগরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোলকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ অনুষ্ঠিত নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন ১৭ বিজিবি”র সাথে সাংবাদিকদের মত বিনিময়  ভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশন শ্যামনগর দাতিনাখালী তে ঘেরে নদীর পানি প্রবাহ বন্ধে বিপর্যয়, বিএনপি নেতাদের হস্তক্ষেপে স্বস্তি ফিরল চাষিদের গাবুরা ইউনিয়নে মেগা প্রকল্পের বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ ৬২% সম্পন্ন সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের পৃথক ২টি অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর ২ জন সক্রিয় সদস্য আটক শ্যামনগরে এক রাতে তিন বাড়িতে চুরি, এলাকাজুড়ে আতঙ্ক মধুর খোঁজে সুন্দরবনে মৌয়ালরা সুন্দরবন মধু আহরণ মৌসুমের উদ্বোধন করলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী
উপকূলীয় অঞ্চলের গাবুরায় লবণাক্ত মাটির প্রভাব: শুকনো মৌসুমে বাড়ছে ফাটল 

উপকূলীয় অঞ্চলের গাবুরায় লবণাক্ত মাটির প্রভাব: শুকনো মৌসুমে বাড়ছে ফাটল 

এম এ হালিমঃ
গাবুরা ইউনিয়নসহ উপকূলীয় অঞ্চলে মাটির লবণাক্ততা দিন দিন বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মাঝে। বিশেষজ্ঞদের মতে, লবণাক্ত মাটি শুকিয়ে গেলে দ্রুত শক্ত হয়ে ফেটে যায়, যা কৃষি ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুষ্ক মৌসুমে বিল ও কৃষিজমির পানি কমে গেলে মাটির উপরিভাগে লবণের আস্তরণ তৈরি হয়। ফলে মাটির স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হয়ে যায় এবং জমি শক্ত হয়ে চৌচির ফেটে পড়ে। এতে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং অনেক কৃষক জমি চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন। গাবুরা ডুমুরিয়া গ্রামের কৃষক মোজাম সরদার জানান, আগে যেখানে বিভিন্ন ধরণের ধান ও শাকসবজি চাষ করা যেত, এখন সেখানে লবণাক্ততার কারণে ফলন কমে গেছে। অনেক জমি পড়ে থাকছে অনাবাদি অবস্থায়। শুকনো মৌসুমে মাটির ফাটল আরও প্রকট হয়ে ওঠে, যা জমির উর্বরতা কমিয়ে দেয়।
স্থানীয়  কৃষিবিদরা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, জলোচ্ছ্বাস এবং নদীর লবণাক্ত পানি প্রবেশের কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। লবণাক্ততা কমাতে মিঠা পানির সরবরাহ বাড়ানো, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং লবণ সহনশীল ফসল চাষের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
সোমবার(৬ এপ্রিল) সরজমিনে গাবরা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া এবং ১০ নাম্বার সোরা এলাকায় যেয়ে দেখাযায় কৃষি জমি ফেড়ে চরচিল হয়েগেছে।
এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, এখনই যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে কৃষি ব্যবস্থা ও বসবাসযোগ্যতা বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়তে পারে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *